শ্রীনগর মাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত

পশ্চিমবঙ্গ সরকার

পশ্চিমবঙ্গ সরকার ৫ আগস্ট, ২০২৬
লেখার আকার
স্ক্রিন রিডার অ্যাক্সেস
সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তি
শ্রীনগর মাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয় ভবন
পশ্চিমবঙ্গ সরকার

শ্রীনগর মাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত

১৯৬৪ সাল থেকে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট-২ ব্লকের আটটি গ্রামের সেবায় নিয়োজিত।

শ্রীনগর মাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে স্বাগতম

শ্রীনগর মাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট-২ ব্লকের শ্রীনগর, চাঁদনগর, কেশবপুর, দেবরাজপুর, মাটিয়া, সাংবাড়িয়া, পূর্ব সাংবাড়িয়া ও শিবচন্দ্রপুর গ্রামগুলিতে পরিষেবা প্রদান করে।

পরিসংখ্যান

এক নজরে

গ্রাম
গ্রাম সংসদ
জনসংখ্যা
পরিবার

নাগরিক সেবা

নাগরিক পরিষেবা

পঞ্চায়েত কার্যালয় থেকে প্রদত্ত পরিষেবা।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন

জন্ম ও মৃত্যুর নিবন্ধন এবং প্রত্যয়িত নকল প্রদান।

ট্রেড লাইসেন্স

স্থানীয় ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স প্রদান ও নবীকরণ।

পানীয় জল

নলকূপ, জল সরবরাহ ও পানীয় জলের উৎস সংরক্ষণ।

রাস্তা ও কালভার্ট

গ্রামীণ রাস্তা, নর্দমা ও কালভার্ট নির্মাণ ও মেরামত।

স্বাস্থ্য ও স্বচ্ছতা

স্বচ্ছতা অভিযান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মসূচি।

সামাজিক কল্যাণ ভাতা

বার্ধক্য, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন ও যাচাই।

মনরেগা / ১০০ দিনের কাজ

জব কার্ড, কাজের চাহিদা নথিভুক্তি ও মজুরির হিসাব।

পথবাতি

গ্রামের পথবাতি স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ।

ঐতিহ্য

পঞ্চায়েতের ইতিহাস

নেহালপুর–ধান্যকুড়িয়া ইউনিয়ন বোর্ড থেকে তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত গঠনের ইতিবৃত্ত।

  1. ১৯৩৫ – ১৯৩৭

    বাংলার শাসন আইন ও ইউনিয়ন বোর্ড

    ইং ১৯৩৫ সনে শাসন বাংলার আইন চালু করেছিল ইংরেজ সরকার। সেই আইন বলে ইং ১৯৩৭ সনে ভারতে যতগুলি রাজ্য (Province) ছিল সেখানে বিধানসভার জন্য প্রতিনিধি নির্বাচন হয়েছিল।

    অবিভক্ত বাংলায় এ.কে. ফজলুল হক (কৃষক প্রজাপার্টি) শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী (হিন্দু মহাসভা) কে নিয়ে মন্ত্রীসভা গঠন করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে নিয়ে ছিলেন এ.কে. ফজলুল হক।

    সেই সময়ে বাংলা প্রদেশে প্রত্যেক জেলায় একটি করে জেলা পরিষদ (District Board) ও কয়েকটি গ্রাম নিয়ে ইউনিয়ন বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। আমাদের এলাকায় যে ইউনিয়ন বোর্ড-টি ছিল তার নাম ছিল নেহালপুর ধান্যকুড়িয়া ইউনিয়ন বোর্ড। যার অফিস ছিল ধান্যকুড়িয়া গ্রামে সাউ বাবুদের বাড়িতে। এই ইউনিয়ন বোর্ডের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন পুলিন বিহারী সাউ।

    এখনকার বেগমপুর বিবিপুর, ধান্যকুড়িয়া ও শ্রীনগর মাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত গুলির সমগ্র এলাকা নিয়ে নেহালপুর ধান্যকুড়িয়া ইউনিয়ন বোর্ড গঠিত হয়েছিল।

  2. ইউনিয়ন বোর্ড পর্ব

    নির্বাচন ও মাটিয়া হাটে অফিস স্থানান্তর

    পরবর্তী সময়ে ইউনিয়ন বোর্ডের প্রতিনিধিদের নির্বাচন হয়। সেই নির্বাচনে শ্রীনগর, চাঁদনগর, কেশবপুর, দেবরাজপুর, মাটিয়া, সাংবাড়িয়া, পূর্ব সাংবাড়িয়া ও শিবচন্দ্রপুর গ্রামগুলি থেকে সেখ শাহাজদ্দিন, আমজেদ আলি ও বিমল বিশ্বাস (ধান্যকুড়িয়া) নির্বাচিত হয়েছিলেন।

    এবং সেবারে বেগমপুর গ্রামের হাজী এলাহী বক্স সাহেব প্রেসিডেন্ট ও বড়গোবরা গ্রামের আব্দুল লতিফ সাহেব ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন। এই ইউনিয়ন বোর্ডের অফিস ধান্যকুড়িয়া সাউবাড়ি থেকে সরিয়ে এনে মাটিয়া হাটে কাঠের নূতন দোতলা ঘরে স্থাপন করা হয়েছিল। ইউনিয়ন বোর্ড-এর অফিস স্থানান্তরের কাজে নেহালপুর গ্রামের বিখ্যাত আইনজীবী সমুমিঞা প্রভূত সহযোগিতা করেছিলেন।

  3. ১৯৬৪

    পঞ্চায়েতি রাজ আইন

    ইং ১৯৬৪ সনে ভারতের লোকসভায় গণতন্ত্রকে নিচুতলা অবধি ছড়িয়ে দেওয়ার মানসে পঞ্চায়েতি রাজ আইন পাশ হয়। সেই মত ১৯৬৪ সনে গ্রাম পঞ্চায়েত, আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদের নির্বাচন হয়েছিল এবং সার্কেল অফিস গুলির বদলে ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিস চালু হয় ও বি.ডি.ও দের নিযুক্ত করা হয়।

    বলা বাহুল্য এই ইং ১৯৬৪ সনের জানুয়ারি মাসে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সংঘটিত হয়েছিল। তখন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন প্রফুল্ল চন্দ্র সেন।

  4. মার্চ – এপ্রিল ১৯৬৪

    জনসভা ও পুনর্গঠন

    গ্রাম পঞ্চায়েত, আঞ্চলিক পরিষদ, জেলা পরিষদ গঠন ও নির্বাচনের কাজ করার জন্য মার্চ-এপ্রিল মাসে এলাকার মানুষদের নিয়ে নব নিযুক্ত বি.ডি.ও-রা সভা করতে থাকেন। নেহালপুর, ধান্যকুড়িয়া ইউনিয়ন বোর্ড ভেঙে তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত গঠিত হবে। এবং বসিরহাট-২ ব্লক আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হবে আর উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সদর আলিপুরে জেলা পরিষদ হবে বলে স্থির হয়। সমগ্র বসিরহাট-২ ব্লক এলাকায় মোট ৯টি গ্রাম পঞ্চায়েত গঠিত হবে বলে স্থির হয়।

  5. গঠন

    তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত গঠন

    বেগমপুর বিবিপুর হাই স্কুল গৃহে বি.ডি.ও সাহেবের সভাপতিত্বে যে সভা হয়েছিল সেখানে স্থির হয় নেহালপুর ধান্যকুড়িয়া ইউনিয়ন বোর্ড ভেঙে দিয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে নিম্নলিখিত গ্রাম পঞ্চায়েত গুলি গঠিত হবে:

    ১. বেগমপুর বিবিপুর
    ২. ধান্যকুড়িয়া
    ৩. শ্রীনগর মাটিয়া

  6. প্রথম প্রধান

    প্রথম প্রধান নির্বাচিত হন হাজী মহঃ জিয়াদ আলি

    শ্রীনগর মাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত গঠিত হলে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রথম প্রধান নির্বাচিত হয়েছিলেন হাজী মহঃ জিয়াদ আলি সাহেব এবং উপ-প্রধান নির্বাচিত হয়েছিলেন সাংবাড়িয়া গ্রামের মহঃ রওশন আলি সাহেব।

  7. এলাকা ও সীমানা

    পঞ্চায়েতের সীমানা

    শ্রীনগর মাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার উত্তর দিকে বাদুড়িয়া পৌরসভার আড়বালিয়া গ্রাম ও জগন্নাথপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তিলডাঙ্গা ও দক্ষিণ দিয়াড়া গ্রাম। ইহার পশ্চিম দিকে বিদ্যাধরী নদী এবং ধান্যকুড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত। ইহার দক্ষিণ দিকে ঘোড়ারাস কুলিনগ্রাম পঞ্চায়েতের কোড়াপাড়া গ্রাম এবং ইহার পূর্ব দিকে ঘোড়ারাস কুলিনগ্রাম পঞ্চায়েত।

এলাকা

গ্রাম ও সীমানা

  • শ্রীনগর
  • চাঁদনগর
  • কেশবপুর
  • দেবরাজপুর
  • মাটিয়া
  • সাংবাড়িয়া
  • পূর্ব সাংবাড়িয়া
  • শিবচন্দ্রপুর

এলাকা ও সীমানা

শ্রীনগর মাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার উত্তর দিকে বাদুড়িয়া পৌরসভার আড়বালিয়া গ্রাম ও জগন্নাথপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তিলডাঙ্গা ও দক্ষিণ দিয়াড়া গ্রাম। ইহার পশ্চিম দিকে বিদ্যাধরী নদী এবং ধান্যকুড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত। ইহার দক্ষিণ দিকে ঘোড়ারাস কুলিনগ্রাম পঞ্চায়েতের কোড়াপাড়া গ্রাম এবং ইহার পূর্ব দিকে ঘোড়ারাস কুলিনগ্রাম পঞ্চায়েত।

যোগাযোগ করুন

ঠিকানা

বার্তা পাঠান

আপনার প্রশ্ন বা অভিযোগ সংক্ষেপে লিখুন।

নিরাপত্তা যাচাইয়ের ছবি। পড়তে না পারলে নিচের প্রশ্নভিত্তিক বিকল্প ব্যবহার করুন।

বড়-ছোট হাতের অক্ষরে কোনো পার্থক্য নেই।   ছবি দেখতে অসুবিধা হচ্ছে? প্রশ্নের মাধ্যমে যাচাই করুন